বেশ কিছু দিন আগে চোপড়ায় এক বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকায়। তার রেশ কাটা না কাটতে আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ায়। চোপড়ার কালচিনি গ্রামে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ গ্রামবাসীদের। এই সংঘর্ষের জেরে চোপড়া থানার আই সি সহ ১২ জন পুলিশ আহত হয়। তাঁরা সকলে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এই ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
জানাজায় শুক্রবার বিকালে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব সভা সেরে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের সাথে দেখা করতে তার বাড়ি যাচ্ছিল। মাঝ পথে তাঁদের আটকে দেয় গ্রামবাসী। গ্রামবাসীরা তাঁদের আটকে বিক্ষোভ দেখায়। খবর পেয়ে ছুটে আসে চোপড়া থানার পুলিশ বাহিনী। পুলিশ পৌছানোর পড়েই পুলিশের সাথে গ্রামবাসীদের খন্ড যুদ্ধ বেধে যায়। যা পড়ে রন ক্ষেত্রের আকার ধারন করে। পুলিশকে লক্ষ করে ইট,পাথর ছুড়তে থাকে গ্রামবাসীরা। পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করে বিক্ষোভ কারিরা বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানোয় হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে। পড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এই ঘটনার জেরে চোপড়া থানার আই সি সহ ১২ জন পুলিশ আহত হয়। তাঁরা সকলে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তৃনমূলের কার্যকারী সভাপতি দেবাশিষ দত্ত জানান কাচাকলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাণেশ্বর সিংহের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। তার সাথে দেখা করার জন্য এদিন তৃনমূলের সভা করার পড়ে সন্ধ্যার তাঁর বাড়ি পরিদর্শনে যায় তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। সেই সময়ে মাঝপথে দুষ্কৃতিরা তাঁদের উপর হামলা চালায়,তাঁদের মারধর করে এবং তাঁদের গাড়িও ভাংচুর করে বলে জানান তিনি।